“আগে তুমি চা বিক্রি করতে সাথে ছিল কেটলি এখন তুমি দেশ বিক্রি করছো সাথে অরুণ জেটলি ॥”–অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

বেলদা:

আমরা কোনদিন নরেন্দ্র মোদিকে চা বিক্রি করতে দেখি নি,এখন এসে বলছে আমি চৌকিদারি করি।”-পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নারায়ণগড় ব্লকের বাখরাবাদ জগন্নাথ মন্দির প্রাঙ্গণে নির্বাচনী জনসভায় মোদী সরকার কে আক্রমণ রাজ্য যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল এমপি পদপ্রার্থী মানস ভূঁইয়ার সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা তে এসে এমনই মন্তব্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।এই দিনের জনসভা থেকে কেন্দ্রে থাকা নরেন্দ্র মোদির প্রবল তুলধনা করেন রাজ্য যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি।তিনি বলেন-“তুমি করলে চমৎকার আর আমি করলে বলাৎকার।তুমি করলে রাম লীলা আর আমি করলে ক্যারেক্টার ঢিলা॥”এই দিনের নির্বাচনী জনসভা তে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি রমাপ্রসাদ গিরি, জেলা সভাপতি অজিত মাইতি, উত্তরা সিংহ হাজরা সহ প্রমূখ নেতৃত্ব।দুই দফায় নির্বাচন শেষ। আর সেই দুই দফা নির্বাচনের পরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন-“দুই দফায় নির্বাচন হয়েছে।আর আমরা 5-0 গোল দিয়ে ইতিমধ্যে এগিয়ে গিয়েছি।আর 37 এর লড়াই।কারণ কি-প্রথম দফায় হাত ভেঙে দিয়েছি, দ্বিতীয় দফায় পা ভেঙে দিয়েছি, তৃতীয় দফায় কোমর ভাঙবো, চতুর্থ দফায় ঘাড় ভাঙবো,পঞ্চম দফায় মাথাভাঙ্গা আর ষষ্ঠ দফায় ভেঙে বল হরি হরি বল করে 23 শে মে এর পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে বিজেপির পরলোকগমন হবে।”নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বে শেষ পাঁচ বছরের উন্নয়নের প্রসঙ্গে তিনি বলেন-“গত 30 বছরে একটা আইটিআই হয়নি গত পাঁচ বছরে একটি পলিটেকনিক তৈরি হয়নি একটি নলকূপ লাগিয়ে সাবমারসিবল করেনি তাদের কাছে উন্নয়ন ও সংহতি তৃণমূলকে শিখতে হবে না।মমতা ব্যানার্জি যা বলেছে তা অক্ষরে অক্ষরে করে দেখিয়েছে আজকে যারা রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে পারছে না তারা ধর্মের উপর ভরসা করে বাংলাকে অশান্ত করতে চাইছে।”তিনি সারদার প্রসঙ্গ তুলে নরেন্দ্র মোদিকে প্রফ দেখেন নির্বাচনী জনসভা থেকে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য করেন-“মমতার নখের যোগ্য এরা হতে পারবে না। কারণ কাশ্মীর থেকে তুলে এনে সুদীপ্ত সেনকে সাত বছর জেলে ঢুকিয়েছে আর নিরব মোদী,বিজয় মালিয়া চৌকিদারকে দেশ ছেড়ে লন্ডন আমেরিকা পালিয়েছে।”রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকল্প কন্যাশ্রী সবুজ সাথী কে এক হাত করে ভোটে জিততে মরিয়া তৃণমূল।তিনি বলেন-“রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশন অর্থাৎ গরু বাঁচানোর জন্য নরেন্দ্র মোদির সরকার খরচা করেছে 750 কোটি টাকা।আর বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও এর জন্য খরচা করেছে 100 কোটি টাকা। সারাদেশে সেখানে মমতা ব্যানার্জির কন্যাশ্রী প্রকল্প 7 হাজার কোটি টাকা খরচা করেছে।”
নির্বাচনী জনসভায় থেকে মানস ভুঁইয়া কে বিপুল ভোটে জয়ী করার জন্য সকলের কাছে কাতর অনুরোধ জানায় কংগ্রেসের যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here