২৪ এপ্রিল
চৌকিদারের ওপর মানুষের ভরসা নেই , বললেন মানস
বুধবার কেশিয়াড়ি আর দাঁতনের প্রচার সভা থেকে মানস ভুইঁয়া বলেন , ‘ চৌকিদারের ওপর দেশের মানুষের ভরসা নেই | তাঁর বিদায়ের আভাস দিয়ে দিয়েছেন | তাই তাঁকে প্রতি সভা থেকে বুক চাপড়ে বলতে হচ্ছে চৌকিদারের হাতেই সুরক্ষিত রয়েছে দেশ | ‘

এবারের লোকসভা ভোটে দাঁতন ও কেশিয়াড়ি ব্লককেই পাখির চোখ করছে তৃণমূল | আগের লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে এই দুই ব্লকে তৃণমূল নিজেদের জয় ধরে রাখতে পারলেও পঞ্চায়েত ভোটে কেশিয়াড়িতে রাজনৈতিক শক্তি হারায় তৃণমূল | নিজেদের শক্তি বাড়িয়ে এখানকার বেশিরভাগ গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির আসন দখল করে বিজেপি | তবে বিজেপি পঞ্চায়েত দখল করলেও উন্নয়ন মূলক প্রকল্প গ্রামবাসীদের কাছে জেলা পরিষদের মাধম্যে পৌঁছে দিচ্ছে রাজ্য সরকার | এরফলে মানুষ আবার তৃণমূলের দিকেই ফিরছেন | দাঁতনেও আগের থেকে অবস্থা ভালো হয়েছে তৃণমূলের |

পথসভায় তিনি কেন্দ্র সরকারকে নোট বন্দি ,দু কোটি বেকারের চাকরির প্রতিশ্রুতি , রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানো , ব্যাঙ্ক একাউন্টে প্রতিটি মানুষের পনের লক্ষ টাকা করে জমা করা প্রসঙ্গে তুলোধুনো করেন l তিনি বলেন , ‘ এ পর্যন্ত রাজ্যের যেকটি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট হয়েছে তাতে তৃণমূল এগিয়ে রয়েছে l বিজেপি শূন্য পেয়েছে | ‘

প্রচন্ড রোদ আর গরম ঊপেক্ষা করেই এদিনের প্রচার ও পথসভায় উপস্থিতি ছিল ভালো | তাঁকে বলতে শোনা যায় ,
‘ শান্তিপূর্ণ বাংলায় যারা তরোয়াল নিয়ে মাথায় ফেট্টি বেঁধে ঘুরে বেড়াচ্ছে তারা একদিন হার্মাদ ছিল l লাল পোশাক বদলে তারা এখন গেরুয়া পোশাক ধরেছে l ‘
বাংলায় কোনোদিনই পদ্ম ফুটবে না বলে কটাক্ষ করে বলেন , ‘ সিপিএমের লোকেরা কাস্তে হাতুড়ি ছেড়ে পচা পদ্ম ধরেছেন | ২০১১ সালে সিপিএমের সর্বনাশ হয়েছে ৩৪ বছরে কোনো কাজ করেনি বলে l আর ধর্মের নামে হাতে তরোয়াল নিয়ে ঘুরে বেড়ানো ভয়ংকর বিজেপিকে মানুষ কখনো আপন করতে পারেননা l তাঁরা মানুষের শত্রু l

ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন , ‘ ৫ বছর ধরে যারা তিলে তিলে শোষণ করেছে ইভিএমের বোতাম টিপে জোড়া ফুলে ভোট দিয়ে তাঁদের কুপোকাত করুন | মোদী জিতলে রান্নার গ্যাস হাজার টাকা ছাড়াবে | আর মমতা ব্যানার্জিকে ৪২ এ ৪২ দিলে উনি নতুন দেশ ঊপহার দেবেন | ‘
মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ডাঃ মানস ভূইঁয়ার এদিনের প্রচারে সঙ্গে ছিলেন কেশিয়াড়ি ব্লকের তৃণমূল সভাপতি পবিত্র শিট , বিধায়ক পরেশ মুর্মু , দাঁতনের বিধায়ক বিক্রম প্রধান |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here