ঘাটাল ওয়েব নিউজ ডেস্ক,৫ অক্টোবর : অাপনারা বুথটা সামলে দিন বাকীটা অামি দেখে নেব। ঘাটালে বিজেপির এক সভায় একথা বলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। লোকসভা ভোটে বুথ সামলান বাকীটা অামরা দেখে নেব। অাজ ঘাটালে বিজেপির সভাতে ঘাটালের বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন ঘাটাল পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং প্রাক্তন এ অাই সিসি সদস্য জগন্নাথ গোস্বামী শকানেক কর্মী নিয়ে যোগদান করলেন বিজেপিতে। ঘাটাল টাউন হলে বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সভায় যোগ দিতে এসে মুকুল রায় বলেন, সিপিএমকে উৎখাত করার সময় ২০১১ সালে তৃণমূলের সৈনিক ছিলাম অাবার তৃণমূলের সন্ত্রাস অপশাসনকে পরিবর্তন করতে এখন বিজেপির সৈনিক। ২০১১ সালে যে সময় তৃণমূলের ছিল এখন ২০১৮ সেই সময়টা বিজেপির চলে এসেছে তাই অাপনারা ২০১৯ ঘাটাল লোকসভাকে পাখির চোখ করুন। অাপনারা বুথটা সামলে দিন বাকীটা অামরা সামলে দিয়ে ঘাটাল লোকসভা উপহার দেবো অাপনাদের। দেব বা রাজকাপুর যেই দাঁড়াক সে বিজেপি হাওয়াই উড়ে যাবে। পঞ্চায়েতে যে মাতব্বররা অামাদের প্রার্থীদের নমিনেশান করতে দেয়নি ভোট দিতে দেয়নি মারধর করেছে সি অার পি নামলেই অাস্তে অাস্তে সুড়সুড় করে পালিয়ে যাবে। এবারে সমস্ত মানুষ নির্ভয়ে ভোটাধিকার করতে পারবে বলে জানান মুকুল রায়। কালি পূজোর মধ্যেই ঘাটালে ঐতিহাসিক সমাবেশ হতে চলেছে বলে জানান তিনি। এক কথায় বলা যায় বিজেপি নেতা মুকুল রায় জগন্নাথকে বিজেপির পতাকা ধরিয়ে ঘাটালে লোকসভা ভোটের দামামা বাজিয়ে দিলেন। অপরদিকে পশ্চিম বঙ্গের বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্য়বেক্ষক কৈলাশ বিজয় বর্গী বলেন, পশ্চিম বঙ্গে সিন্ডিকেট রাজ লুঠের রাজ চলছে। বোম বিস্ফোরন কা সরকার চলছে, এ কে ৪৭ চালানো সরকার চলছে। অরাজকতা নকল নোট চালানো সরকার চলছে। বিরেধী করলে তাঁর বাড়িতে অাগুন লাগিয়ে দেওয়া হছে। মোদি সরকার গরীবদের পাকা বাড়ি দিছে মমতা সরকার গরীবদের ঘরে অাগুন লাগিয়ে দিছে। মোদী সরকার গরীবী হটাও দূর করছেন অার মমতা সরকার গরীবকে অারও গরীব করছেন। পুলিশের অফিসাররা টি এম সির হয়ে কাজ করছে দালালি করছে পুলিশ অফিসটা পার্টি অফিস বানিয়ে দিয়েছে। যারা এরকম করছে তাদের চাকরি ছেড়ে পার্টি করার নির্দেশ দেন কৈলাশ বিজয় বর্গী। অাগামী লোকসভাতে বাংলা থেকে ২৬ টি অাসন পাওয়ার কথা ঘোষনা করেন এরপর বিধানসভায় বাংলায় কি হবে কটাক্ষের সুরে বলেন তেরা কেয়া হোগা কালিয়া। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে পূজোয় টাকা দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে বলেন হিন্দুদের পূজোতে টাকা দিলে মুসলমানদের ইদে কেন টাকা দেবেন না কেন হিন্দু মুসলমান বিভেদ করছেন সমান সমান রাখতে হবে। কটাক্ষ করে বলেন অাগে বড় বড় হোর্ডিং এ দোয়া করার ছবি থাকত মোদীজিকে দেখে মন্দিরেও ছুটছে পূজো কমিটিকে টাকা দেওয়ার কথাও ঘোষনা করছে। মোদী দেশে বিকাশ করছে বাংলা পিছিয়ে অাছে তাই অন্যান্য রাজ্যের থেকে পিছিয়ে বাংলয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here