.বিদ্যাসাগর ব্যাংকের সভায় কেন্দ্রকে আক্রমণ শুভেন্দুর l
পশ্চিম মেদিনীপুর : 23 সেপ্টেম্বর l
রবিবার বিদ্যাসাগর ব্যাংকের ৪৭ তম সাধারণ সভায় কেন্দ্র সরকারের নোট বন্দির সমালোচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন সাদা কালো রং দেখে নয়, ব্যাংকের হিসাব হয় নির্দিষ্ট অডিট এর মাধ্যমে ! নোট বন্দির মতো সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের পক্ষে অত্যন্ত
ক্ষতিকর l  এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদ হলে বিদ্যাসাগর ব্যাংকের  সাধারণ সভায় যোগ দিতে এসে পরিবহন মন্ত্রী তথা ব্যাংকের চেয়ারম্যান শুভেন্দু অধিকারী  একটি এটিএম ও ভ্যানের উদ্বোধন করেন l এরপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ২০১১ সালের আগে যারা ব্যাংক চালাতেন তারা সাদা কালো রং দেখে  ব্যাংকের হিসাব মিলাতেন কিন্তু তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার পর সাদা বা কালো রঙ দেখে ব্যাংকের হিসাব মেলান না l এর  জন্য নির্দিষ্ট অডিট হয় l অডিটের মাধ্যমে ব্যাংকের হিসাব দেওয়া হয় এবং সেই সব তথ্য সাধারণ সভা ও সম্মেলনের মাধ্যমে জনগণের কাছে প্রকাশ করা হয়  | তিনি অভিযোগ করেন,
বিগত দিনে যে শাসক দল ব্যাংক চালাতেন  তাদের অডিটের  কোনো ব্যবস্থা ছিল না  ফলে কোন হিসাব পত্রও ছিল না। নোট বন্দি প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে  আক্রমণ করে বলেন, ২০১৬ সালে হঠাৎ নোট বন্দি করে বেশ কিছু মানুষের অসুবিধা করেছে কেন্দ্র সরকার। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু মানুষ। কিন্তু অদ্ভুতভাবে আমেদাবাদ ডিস্ট্রিক সেট্রাল   কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্ক এই নোট বন্দির ব্যাপারটা জেনে গিয়েছিল তাই এক সপ্তাহের মধ্যে তারা ৭২৮ কোটি টাকা বদলে ফেলেছিল।
এটা কিভাবে সম্ভব , সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। পরিবহন মন্ত্রী বলেন , কেন্দ্র নোট বন্দি নিয়ে একতরফা বিচার করেছে। ভারতবর্ষের  এই অর্থনীতিতে ইন্দিরা গান্ধীও কখনো হাত দেননি।  হাত  দেয়নি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।
কিন্তু নোট বন্দি নিয়ে কেন্দ্র সরকার ১৩২ দিনে ১৩২ রকমের সার্কুলার জারি করেছে। যা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক এবং এক তরফা | তিনি অারও জানান নিষ্ক্রিয় সমিতিগুলোকে মাথা তুলে দাঁড়াতে বিশেষ পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। বিগত কয়েক বছর ধরেই মেদিনীপুর জেলার শতাধিক সমবায় সমিতি গুলো ধুকছিল। এবার সেই সমিতিগুলোকে মাথা তুলে দাঁড়াতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। নেওয়া হচ্ছে নতুন উদ্যোগ, কো অপারেটিভ সমিতি গুলোতে পরিষেবার মানোন্নয়নের পাশাপাশি পরিকাঠামোগত ও গুণগতভাবে আরো উন্নত পর্যায়ে তৈরীর ভাবনা নিচ্ছে সরকার। বিদ্যাসাগর ব্যাংকের সাধারণ সভায় শুভেন্দু বাবু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক প্রদ্যুৎ ঘোষ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা সিং হাজরা, সহ সভাধিপতি অজিত মাইতি, পরিচালক মন্ডলীর সদস্য মধুসূদন গাঁতাইত, অঞ্জন বেরা প্রমুখ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here