ঘাটাল নিউজ ডেস্ক ঃঃ

ঘাটাল মহকুমা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের এইচ ডি ইউ বিভাগে ভর্তি থাকা ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট কে দেখতে এলেন বিজেপির হেভিওয়েট নেতা তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এর পরে তিনি ঘাটাল থানায় ঘাটালের এসডিপিও এবং অফিসার ইনচার্জের সাথে কথা বলেন।
শুভেন্দু বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কোভিড প্রটোকল মেনেই নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য গিয়েছিলেন। তার নিরাপত্তার দায়িত্ব পুলিশ প্রশাসনকে দিতে হবে ।
তিনি বলেন বিধায়ক এখন স্টেবল আছেন। এফআইআর জমা দেওয়ার জন্য তার সই প্রয়োজন ছিল ,কাল তিনি সই করার অবস্থায় ছিলেন না।
আমরা সবাই করণা বিধি মেনে চলছি। করণা বিধি মানে কি কেউ কারো বাড়ি যাবেনা? ঘরে বসে থাকতে হবে?এই প্রশ্ন করেন শুভেন্দু অধিকারী।

 তিনি বলেন লকডাউন চলার ফলে বেশি মানুষকে নিয়ে আন্দোলন করা এখন সম্ভব নয়। আজ যেসব কর্মীরা ধরনায় বসে ছিলেন আমি তাদের ধরনা তুলে দিতে বলেছি। তিনি আরো বলেন নির্বাচনের পর বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাস হচ্ছে। বিজেপির নেতা কর্মী এমনকি  ভোটাররাও সন্ত্রাসের মুখে পড়ছেন ।আমি আজ ঘাটাল মহকুমার এসডিপিও এবং ঘাটাল থানার অফিসার ইনচার্জের সাথে কথা বলেছি যাতে দোষীদের গ্রেফতার করে তাদের সাজা দেওয়া হয়। 

তিনি ঘাটালের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক শঙ্কর দলুই সম্বন্ধে বলেন ,শংকর দোলুই লেকচার মারছে যে নির্বাচনের আগে লক্ষণপুরে তার হাত ভেঙে দিয়েছিল সিপিএম, তখন কোন নেতা এসেছিল ?তখন আমি এসেছিলাম ।
শুভেন্দু বাবু বলেন ,এখন আস্ফালন দম্ভ এসব দেখানোর সময়। মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। পুলিশ প্রশাসন দোষীদের যদি গ্রেফতার না করে তাহলে আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন করবো।
শুভেন্দু আরো বলেন, লকডাউন এর ফলে সাধারণ মানুষ দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ সংকটে আছেন । মানুষের পাশে আমাদের দাঁড়াতে হবে।
আমরা এরপরে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন করবো। আমি পুলিশ আধিকারিকদের বলেছি ঘাটাল মহকুমার পাঁচটা ব্লকে কোথাও যেন কোনো গোলমাল না হয়। তিনি আরো বলেন মনসু কার কিছু এলাকা এবং বরদার পার্শ্ববর্তী কিছু এলাকায় দুষ্কৃতীরা আছে।

উল্লেখ্য ২১ মে শুক্রবার সন্ধ্যার পরে ঘাটাল থানার মনসুকার বাঘা নালা গ্রামে দলীয় কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন ঘাটালের বিধায়ক শীতল কপাট। এখানে তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা বোমাবাজি করে বলে অভিযোগ।