চন্দ্রকোনায় দুই গোষ্ঠীর জগদ্ধাত্রী পূজো জমে উঠছে ঘাটাল, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৬ অক্টোবর : চন্দ্রকোনা শহরে জগদ্ধাত্রী পূজোকে কেন্দ্র করে দুই ভাগ তৃণমূলের নেতারা। চন্দ্রকোনা পৌরসভার ৯ ওয়ার্ডের সুরের হাটে গতবছর থেকে শুরু হয় জগদ্ধাত্রী পূজো। এই পূজোতে চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যান ঘনিষ্ঠরা পূজো করে থাকেন। ব্লকের এবং অন্যান্য নেতৃত্ব ও শহরের  অনেক বিশিষ্ঠ মানুষরা ডাক পায়না বলে অভিযোগ। নিজেরাই কয়েকজন মেলাকে পরিচালনা করে করেন। অন্য গোষ্ঠী অর্থাৎ বিধায়ক, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং ব্লকের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ নিজেদের অস্থিত্ব তুলে ধরতে চন্দ্রকোনার জিরাট হাইস্কুল মাঠে বিশাল থীমের মন্ডপ করে জগদ্ধাত্রী পূজো ও মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অায়োজন করেছে। যুযুধান দুই পক্ষই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হেভিওয়েট শিল্পী অানতে কসুর করছেনা। কেউ অানছে মহ: অাজিজ, লোপা মুদ্রা অাবার অন্য গোষ্ঠী বিনোদ রাঠোর, পূর্নিমা শ্রেষ্ঠা। যাইহোক এই দুই গোষ্ঠীর পূজোতে চন্দ্রকোনার মানুষ ভাল শিল্পীদের গান শুনতে পারবে। যাইহোক স্থানীয় মানুষ বলছে এবারের নতুন পূজোর দিকেই চমক বেশী থাকছে এবং রাজনৈতিক নেতাদের ভারিত্ব থাকছে। চন্দ্রকোনা ২ ব্লকের কার্যকরী সভাপতি এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হীরালাল ঘোষ জানান, জগদ্ধাত্রী পূজোর মূল উদ্দেশ্য সার্ব্বজনীন করার। পার্টির থেকে বিচার করলে কোন ভেদাভেদ থাকছে না এই মেলাতে, সবাই স্বাগত। এই মেলাক চন্দ্রকোনার সম্প্রীতির মেল বন্ধনের উৎসব হিসাবে পরিগনিত করতে চাইছি। অামাদের জাতি ভিত্তিক রাজনীতি করি না একসাথে সবাই অাছে হিন্দু মুসলমান সব সম্প্রদায়ের মানুষ অাছে এই জগদ্ধাত্রী পূজো ও মেলায়। বিজেপি সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে খেলছে তাই সমস্ত ধর্ম মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধকে জাগিয়ে রাখাই মূল উদ্দেশ্য। অন্যদিকে গত বছর থেকে শুরু হওয়া জগদ্ধাত্রী পূজোর সভাপতি তথা চন্দ্রকোনা পৌরসভার চেয়ারম্যান অরুপ ধাড়া জানান, চন্দ্রকোনাই কোন গোষ্ঠী দ্বন্দ নেই। যত পূজো হবে তত ভাল। অামাদের সুরের হাটে এবারের জগদ্ধাত্রী পূজো দ্বিতীয় বছরে পড়ল। অাবার নতুন করে একটি পূজো হছে। এখানে দলের নেতাদের বিভাজন নেই পূজোতে বলে জানান। চেয়ারম্যান যাই বলুন স্থানীয় মানুষ অবশ্য চেয়ারম্যান ভার্সেস বিধায়ক ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির পূজোর লড়াই বলছেন। কে কাকে টেক্কাদেয় সেটার দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে জগদ্ধাত্রী পূজোর দিকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here