ঘাটাল নিউজ ওয়েব ডেস্ক, ১৩ মে : রবিবার ভোটের দিন সারাদিনই তিনি কেশপুরে ছিলেন। যেখানেই গেছেন সেখানেই বিক্ষোভ ও ঘেরাও এর মুখে পড়তে হয়েছে। দোগাছিয়া গ্রামে বিক্ষোভকারীদের হঠাতে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ জওয়ানদের বিরূদ্ধে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের ওপর লাঠিচার্জ ও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী এমনকি নির্বাচন কমিশনও তাঁকে নিয়ে যে বিব্রত তা তাঁরা জানিয়েছেন। এতেও কোনো হেলদোল নেই ভারতীর।
সোমবার দুপুরে তিনি ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী কলেজে আসেন। এখানে ইভিএম রাখা হয়েছে। এগুলি সিল করার সময় প্রার্থীকে থাকতে হয়। ঘাটাল কলেজের মধ্যে ভারতীকে এদিন পাওয়া গেলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা ঘিরে ধরেন। তিনি জানান , ‘ ভোটের দিন কেশপুরে যা ঘটেছে সবই দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি। দিল্লির নির্বাচন কমিশনে জানাবো। ঘাটাল লোকসভার কিছু বুথে এবং কেশপুরে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানাবো। ‘ সিঙ্গেল এজেন্ট বুথ গুলিতে অন্য পার্টির এজেন্টকে মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে। দলকে জানিয়েছি বাকী দল পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখছে।
ভোটের দিন কেশপুরে পুলিশ তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ছক কষেছিল সেকথাও জানিয়ে বলেন , ‘ ইচ্ছে করেই কেশপুর বাজারে আমার গাড়ি আটকানো হয়েছিল। বিক্ষোভ ও ইটবৃষ্টি থেকে বাঁচতে কালীমন্দিরে আশ্রয় নিই। মন্দিরে এক হাজারের বেশি ইটও পড়ে। পাশাপাশি বাড়ির ছাদে আগে থেকেই এত ইট জড়ো করা হয়েছিল। আমাকে মারার জন্য। ‘

কেশপুরে ভোট নিয়ে তিনি দিল্লির নির্বাচন কমিশনের কাছে দরবার করার পাশাপাশি আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন বলেও জানিয়ে বলেন , ‘ কেশপুরে ভোটের দিন যা হয়েছে তা কাশ্মীরে হয়। বিরোধী প্রার্থী এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান , সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের লক্ষ্য করে ইট , পাথর ছোঁড়া হয়েছে। গাড়ি ভাঙা হয়েছে। এটা কোন গনত্রন্ত্রের নমুনা ? আমি এই নির্বাচন কমিশন এবং তাঁদের দ্বারা পরিচালিত স্টিরিও টাইপ নির্বাচন চায়নি। বায়োমেট্রিক্স এর মাধ্যমে ডিজিটাল ভোট চালু হোক কেশপুরে । মঙ্গলবারই অাবার ভবানী ভবনে পুনরায় সিআইডি জেরার মুখে বসতে চলেছেন ভারতী ঘোষ।